admin
জানুয়ারি ১২, ২০২১
  • No Comments

    মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী, আপনার সহানুভূতির বিনয়ী প্রার্থনা

    নিউজ ডেক্স ঃ
    কয়েকদিন ধরেই ফেসবুকের পাতায় পাতায় ত্রিশালের সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের উপর ডিবি দারোগার চালানো নির্মমতার কাহিনী ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিষয়টির বিস্তারিত জানতে ফোন দিয়েছিলাম রফিককে। তিনি সরাসরি চলে আসলেন আমার কাছে। তারপর পুরো ঘটনাটা জানতে চাইলে বেশ কিছুক্ষণ সময় নিয়ে আচমকা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন রফিক। তারপর দম নিয়ে যে নির্মমতার কাহিনী শোনালেন তিনি তা শুনে নিজের চোখের পানিই থামাতে পারছিলাম না। সেখানে রফিককে শান্তনা দিবো কী? যে তুচ্ছ ঘটনায় ময়মনসিংহ জেলা ডিবি’র এসআই আক্রাম রাতের অন্ধকারে রফিককে নিজ হেফাজতে নিয়ে চোখ বেধে, হাতে পায়ে হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে সীমাহীন বর্বরতা চালিয়েছে তা শুনেই অন্তরাত্মা কেঁপে উঠে। তাকে নির্যাতন করার প্রতিটি মুহূর্তের ছবি আরেক কনস্টেবলের সাহায্যে তুলে তা ত্রিশালের এমপি সাহেবের মেয়ে (যদিও সে ছিল লজিং মাস্টার, বিয়ে করেছে ভাতিজিকে) জামাতার কাছে পৌঁছেও দিয়েছেন আক্রাম। তার কাছে নির্যাতনের ছবি পৌঁছানোর ঘটনা থেকেই অনেক কিছু বুঝে নেয়া সম্ভব।
    পশুর মতো নির্যাতন চালানো দারোগা (এসআই) আক্রাম হোসেন এখন চট্টগ্রাম রেঞ্জে বদলি হয়ে দাপটের সঙ্গেই দিনাতিপাত করছেন। ময়মনসিংহে থাকাবস্থায় পুরস্কার হিসেবে ত্রিশালে বেশ দামি জায়গা জমিও তার ভাগ্যে জুটেছে। কিন্তু নিরপরাধ সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিক যে তার নির্মমতায় পঙ্গু হয়ে গেছেন, অন্ধত্ব বরণ করতে বসেছেন সেদিকে কার নজর পড়বে? ত্রিশালের অধিবাসী সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিক ও কক্সবাজারের নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার বিষয়ে বিশেষ সহানুভূতি পেতে আমি মাননীয়া প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।