admin
ডিসেম্বর ১২, ২০২০
  • No Comments

    সন্দ্বীপে শুধুই জন্মদিনের কেক খাওয়ানো কে কেন্দ্র করে প্রাণ গেলো এক যুবকের

    ইলিয়াস কামাল বাবু,সন্দ্বীপ প্রতিনিধিঃ

    মামলার আরজীতে আছে, জন্মদিনের কেক খাওয়া কে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি, এবং তারই জের ধরে পূর্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অবশেষে এলোপাথারী কিল,ঘুষি,লাথি মেরে হত্যা।
    তবে আরেকটি বিষয় যোগ ছিলো তা হলো জায়গা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ।
    কিন্তু ঘটনাস্থলের আশ- পাশের লোকজন ও নিহত ছুফিয়ানের পরিবারের কাছ থেকে জানা গেছে অন্য কথা, নিহত যুবক ছুফিয়ানের(৩৩)সাথে জায়গা জমি নিয়ে কারো সাথে খুন হয়ে যাবার মতো তেমন কোনো বিরোধ ছিলো না। তবে আজ থেকে ২/৪ বছর আগের
    একটি নারী ঘটিত বিষয় কে কেন্দ্র করেই মুলতঃ দুটি পরিবারের মধ্য একটি মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্ধ চলে আসছে।
    যার কারনে ২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনের দিন রাত সাড়ে ৮ আটটার দিকে ছুফিয়ান কে একই জায়গায় (হত্যাস্থল) হত্যা মামলার ৩ নং আসামী সাজেদুর রহমান মান্নার(২৪) নেতৃত্বে হত্যার উদ্দেশে একইভাবে একবার
    হামলা চালিয়ে বেদমভাবে মেরে পানিতে ফেলে দিয়েছিলো।সে যাত্রায় এলাকাবাসীর
    সহায়তায় সে বেঁচে গিয়েছিলো। বিষয়টি তখন নেতৃস্থানীয় অনেককেই জানানো হয়েছিলো কিন্তু কোনো প্রতিকার তারা পাযনি বলে জানান।
    মান্নার পরিবার সুত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয়বার ১০ ডিসেম্বর,২০২০, রাত সাড়ে ১১ টায় যখন ছুফিয়ান কে হত্যার উদ্দ্যেশে তার বাড়ীর সামনে আক্রমন করা হয়েছিলো, তার নেতৃত্বেও ছিলো এই মান্না।
    ছুফিয়ানের পরিবার বলছে, ছুফিয়ান কে হত্যার মুল মাষ্টার মাইন্ড মান্নার মা সুরমা বেগম।আর হত্যাকান্ড বাস্তবায়নকারী হচ্ছে
    মান্না সহ অন্য সহযোগিরা।
    ছুফিয়ান হত্যাকান্ডের ঘটনায় তার ছোটো ভাই ফরহাদ বাদী হয়ে রাশেদ(২৭) নামে একজন কে মুল আসামী করে ৮ জনের নামে দন্ডবিধি ১৪৩/৩২৩/৩০২/৫০৬/৩৪
    পেনাল কোডে সন্দ্বীপ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলা নং ০৬ এবং সন্দ্বীপ থানা পুলিশ দুই সুরমা বেগম( এজাহার ভুক্ত ৭ ও ৮নং আসামী) ও ৬ নং আসামী আজিমপুরের সোহরাব মেম্বার কে গ্রেফতার করে। এ ব্যাপারে সন্দ্বীপ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বশির আহমেদ খান এ প্রতিবেদক কে জানান- এজাহারভূক্ত আর কোনো আসামী ধরা পড়েনি,তবে পুলিশি অভিযান চলছে।
    উল্লেখ্য, নিহত ছুফিয়ান,সন্দ্বীপ হারামিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়র্ডের কাছিয়াপাড়স্থ
    রজব আলী বাড়ির হেদায়েতউল্যাহর বড় ছেলে। সে এক সময় ওমান প্রবাসী ছিলো।
    মৃত্যুর পূর্বে সে তার বাড়ির সামনে একটি ছোট্ট চায়ের দোকান করে কোনো মতে সংসার চালাতো। তার স্ত্রী ছাড়াও ৮ বছর বয়েসী ও ৪ বছর বয়েসী দুটি কন্যাশিশু রয়েছে।
    ——————————————————–
    নিহত ছুফিয়ান