admin
ডিসেম্বর ৩, ২০২০
  • No Comments

    সন্দ্বীপের- মগধরা ইউনিয়নের ৫ও ৬ নং ওয়ার্ডস্থ চাঁন নন্দীর সড়কটি একাংশ বন্ধ, রোডটি উন্মুক্ত করার দাবী এলাকাবাসীর

    মোঃ নেয়ামত উল্লাহ রিয়াদ, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    এলাকাবাসীর প্রাণের দাবী পেলিশ্যার ঘোপাট মগধরা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১০০ ফুট পৃর্বে দক্ষিণমুখী ইউটান হয়ে ডিবি রোড সংযুক্ত  চাঁন নন্দীর সড়কটি  উন্মুক্ত করা হউক এই প্রসঙ্গে বিস্তারিত নিন্মেঃ

    চট্টগ্রাম সন্দ্বীপ উপজেলা ১৭ নং মগধরা ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ডস্থ পেলিশ্যার গোপাট সংলগ্ন মগধরা স্কুল এন্ড কলেজ গেইট থেকে ১০০ ফুট পৃর্বে দক্ষিণমুখী ইউটান হয়ে  চাঁন নন্দীর রোডটি  বন্ধ করে দেওয়ার ফলে মগধরা স্কুল এন্ড কলেজ এবং মগধরা হাজেরা ইসলাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অগণিত  ছাত্র ছাত্রীরা সহ  অত্র এলাকায়  সাধারন  জনগণ দূর্ভোগ পোঁহাতে হচ্ছে।যার ফলে অত্র ইউনিয়নে ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডস্থ এলাকার সামষ্টিক উন্নয়নে চরম অবনতিতে পোঁছেছে।রোডটির ঐতিহাসিক  ডকুমেন্ট মত সরোজমিনে আমরা যতটুকু অবগত হয়েছি  মগধরা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০০ ফুট পৃর্বে দক্ষিণমুখী ইউটান রাস্তা শুরুতে দুই পাশের জমি পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর গংদের।

    পেলিশ্যার ঘোপাট মগধরা উচ্চ বিদ্যালয়ের গেইটের পৃর্বে দক্ষিণমুখী ইউটান হয়ে যে রাস্তাটি বর্তমানে  আছে রাস্তাটি করার পৃর্বে তাদের দুই পাশের জমির পানি চলাচলের জন্য বিএস নকসা মত জলসারা ছিলো।সে জলসারা বিএস নকসাতে প্রচার আছে।এক পর্যায়ে জলসারা  বন্ধ করে নিজ ভূমির উন্নয়নের স্বার্থে পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর জায়গা মালিকগনরা আশেপাশে জায়গাগুলোতে যেনও ভবিষ্যৎ প্রজন্মরা বাড়ী করা,ও ফসলদি আনা নেওয়ার  চিন্তা করে মগধরা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০০ ফুট পৃর্বে  ইউটান করে দক্ষিণ মুখী একটি রোড করেন।

    উক্ত রোডের শুরুতে পৃর্বে আরএস ১১৫৩ দাগ আবদুল করিম গং পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর, পশ্চিমে আরএস ১১৫২ আবদুল লতিফ গং পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর।পশ্চিমে বিএস ১৮৬৩০ আবুল খায়ের গং পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর।পশ্চিমে  বিএস ১৮৬২৮/ বিএস ১৮৮২৬/বিএস ১৮৮২৭/বিএস ১৮৮২৯/বিএস ১৮৮২৫ দাগন্দর আবদুল করিম গং পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর।উপরোক্ত এসব দাগ থেকে জায়গা নিয়ে একটি রাস্তা তৈরী করেন পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর গংরা।উক্ত রাস্তাটির পৃর্বে খুরশিদ আলম গং,শামসুল হক গং দের  জায়গা থাকার স্বর্তে তারা সমঝোতার মাধ্যমে  উক্ত রোডটি ব্যবহার করার সুযোগ পাই।

    পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর গংরা রাস্তাটি করাতে রাস্তার আশেপাশে জনগণের ভূমির ফসলদি আনা নেওয়া করতে দারুন সুযোগ হয়।রাস্তাটির থেকে শেষ মাথা থেকে ইউটান করে  পৃশ্চিমমুখী বাড়ীর দরজা পাঁচ ভাইয়ের বাড়ির লোকদের। তাদের বাড়ী থেকে বের হওয়ার পর পেলিশ্যার গোপাটে যেতে উত্তরমুখী কোন জায়গা  না থাকায় তারা  পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর গংদের তৈরী করা রাস্তা দিয়ে হাঁটার জন্য তৎকালীন মুরব্বিদের সাথে মৌখিক সমঝোতা করে।ও পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর লোকদের থেকে হাঁটার অনুমতি চান।বিশেষ করে পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর গং রাস্তার আশেপাশে জমির মালিক তাদের জমিগুলো পাঁচ ভাইয়ের বাড়ির প্রায় লোকবলরা চাষ করতো।জমির মালিকরা চাষাদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে মানবিক দৃষ্টিতে হাঁটার অনুমতি দেন। রাস্তা হাটা সওয়াবের কাজ এই পরিপ্রেক্ষিত তাঁরা হাঁটার দারুন সুযোগ পেয়ে থাকে।

    পরবর্তীতে পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর উক্ত রাস্তার ওয়ারিশগংরা সিদ্ধান্ত নেন উক্ত রোডটি জনস্বার্থে নন্দীর হাঁটের সাথে সংযুক্ত করতে পারলে জনগণের দারুন উপকার হবে।বিশেষ করে দুই ওয়ার্ডের জনগণ সহ দুই স্কুলের কথা চিন্তা বিবেচনা করে সমগ্র জনগন চলাচলের ব্যবস্থা  করার সিদ্ধান্ত নেন।সিদ্ধান্ত মোতাবেক পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর গংদের করা রাস্তাটির পশ্চিম পাশে বিএস ১৮৮২৫ দাগে করিম মুন্সি গং এর শেষ সীমানায় রোডে পৃর্বে বিএস ১৮৬৫৭ দাগ শামসুল হক গং।উক্ত দাগের দক্ষিনে আরএস/বিএস জলসার থাকার সুবাধে জলসারে পাড় হয়ে বর্তমানে কালভার্ট সংযুক্ত হয়ে ২০ ফুট পশ্চিম মুখী এঙ্গেল হয়ে সোঁজা দক্ষিণ মুখী হয়ে মগধরা    হাজেরা ইসলাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় গেইট বরাবর বিট রোডের সাথে সংযুক্ত করে চাঁন নন্দীর রোডটি উন্মুক্ত  করে দেন।এরপর দুই ওয়ার্ডের জনগণ অবাধে চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি হয়ে  পাঁচ ভাইয়ের বাড়ির লোকবল সহ রাস্তার আশেপাশে সকলে অবাধে ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

    রোডটি উন্মুক্ত হওয়ার ফলে মগধরা ইউনিয়নে একমাত্র  ঐতিহ্যবাহী মগধরা হাজেরা ইসলাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় আসা যাওয়া সহ  দুই ওয়ার্ডের  ছাত্রছাত্রীরা অবাধে চলাফেরা করে শিক্ষা গ্রহনের দারুন সুযোগ সৃষ্টি হয়।সে সাথে মগধরা উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়া লেখা করার সুযোগ সৃষ্টি  হয়।সমগ্র সন্দ্বীপে মগধরা ইউনিয়নের জনগণ অবগত যে, সন্দ্বীপে মগধরা হাজেরা ইসলাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় একাধিক বার শ্রেষ্ট স্কুল হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।যাহা অদ্যকাল পর্যন্ত সেরা স্কুল হিসেবে ধারাবাহিকতায় সুনাম অর্জন করে আসতেছে।যাহা মগধরা বাসীর জন্য গর্ব।

    চাঁন নন্দীর রোডটি নিচু হওয়ার ফলে বর্ষার মৌসুমে পানি জমানোর কারনে মগধরা উচ্চ বিদ্যালয় ও মগধরা হাজেরা ইসলাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী এবং পেলিশ্যার বাজার,নন্দীর হাঁট এলাকায় জনগণ চাঁন নন্দীর সড়কে চলাচলের কষ্টের কথা বিবেচনা করে ২৪/০৪/১৯৯৮ ইং রোজ শুক্রবার মগধরা উচ্চ বিদ্যালয় কার্যালয়ে সকাল ১১ ঘটিকা সাবেক এমপি দ্বীপবন্ধু মুস্তাফিজুর রহমান এর সভাপতিত্বে চাঁন নন্দীর রোডটি সংস্কার করা সহ স্কুলের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।উক্ত আলোচনায় জনাব শামছুল আলম সহ-সভাপতি, জনাব একে এম শাহাজাহান প্রতিষ্ঠাতা,জনাব একে এম নুরুসছাপা দাতা সদস্য, জনাব মহিব উল্ল্যাহ  সদস্য,জনাব মোস্তফা খালেদ সদস্য,জনবা আবুল বশার সদস্য,জনাব শামসুল আক্তার শিক্ষক প্রতিনিধী,জনাব শফিকুল মাওলা শিক্ষক প্রতিনিধী,জনাব এবিএম শাহ আলম শিক্ষানুরাগী সদস্য,জনাব আবদুল বাতেন সদস্য সচিবদের উপস্থিতিতে  চাঁন নন্দীর সড়ক সংস্কার করার প্রস্তাব  আসলে মিটিং রোডটি সংস্কার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় সিদ্ধান্ত মোতাবেক স্কুলের রেজুলেশন হয়।ঐ রেজুলেশনে  ৯ নং কলামে আলোচ্যসৃচীর সিদ্ধান্ত মত ও বিবিধ আলোচনায় মগধরা উচ্চ বিদ্যালয়ের গেইট থেকে বিদ্যালয়ের উত্তরমুখী সীমানা শেষে দিঘীর উত্তর পাশ হয়ে সোজা গিয়ে নুরুসছপা সওদাগরের বাড়ীর পৃর্ব দিকে কমলা সড়ক সংযুক্ত পর্যন্ত চাঁন নন্দীর  সংকীর্ণ পথটি মাটি দিয়ে বাঁধানো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সে সাথে মগধরা স্কুলের গেইট থেকে ইউটান হয়ে দক্ষিণমুখী  চাঁন নন্দীর রোডের সংস্কার বিষয়ে আলোচনা হয়।তিনি তৎসময়ে বরাব্দ দিয়ে তিন জনকে কাজ করার দায়িত্ব দেন।তারা হলো নুরুসছপা,বশির উদ্দীন হায়দার মেম্বার ,মোস্তফা খালেদ মেম্বার। আলোচনায় মহান জাতীয় সংসদের সদস্য  ও মগধরা উচ্চ বিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব মুস্তাফিজুর রহমানের নিকট হইতে সন্তোষজনক আশ্বাস দেন।

    সে সময়কালে চাঁন নন্দীর রোডের সংস্কারের প্রয়োজন হওয়ায়  রোডটির গুরুত্বপূর্ণ বলে,  স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা ও সাধারন জনগণ হাঁটু কাঁধা নিয়ে চলাচলের কষ্ট হচ্ছে বলে,রোডটির বিষয়ে মগধরা ৫ নং ওয়ার্ডে মেম্বার বশির উদ্দীন হায়দার ও ৬ নং ওয়ার্ডে মেম্বার মোস্তফা খালেদ মগধরা ইউনিয়ন পরিষদে নিয়মিত মিটিং এ প্রস্তাব করিলে রোডটি সংস্কারের জন্য মগধরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান  মাকসুদুর রহমান খাঁন শাহীন সিদ্ধান্ত  নিয়ে  রেজুলেশন করেন।এবং মগধরা ইউনিয়ন পরিষদে সদস্যদের  আলোচনায় সিদ্ধান্ত মোতাবেক তৎসময়ে অর্থ বরাব্দ করা হয়।সে অর্থ বরাব্দ থেকে ৭৫|=পঁচাত্তর হাজার টাকা দিয়ে একটি কালভার্ট করেন।ও রোডটি দিয়ে স্কুল ছাত্র ছাত্রীরা সহ সাধারন জনগণের চলাচল বেশী ছিলো বিধায় বারবার মাটি দিয়ে  সংস্কার করেন।সংস্কারের  জন্য মগধরা ইউনিয়ন পরিষদে একাধিক রেজুলেশন করা হয়েছে।মগধরা হাজেরা ইসলাম সরকারী প্রাথমিক  বিদ্যালয়ের মূল গেইট  টু উত্তরমুখী চাঁন নন্দীর রোডে জনগণের সুবিধার্থে মগধরা ৫ নং ও ৬ নং সীমানা পর্যন্ত সরকারী যে কালভার্ট করা হয়েছে সেটি প্রায় ২৭/২৮ বছর আগে।

    উল্লেখ্য মগধরা হাজেরা ইসলাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কালভার্ট পর্যন্ত আরএস ও বিএস নকসা তে রোড ম্যাপ করা আছে।যাহা বর্তমানে রোডের দুই পাশের বাড়ী ঘরের ও সাধারন জনগণ নিরাপদ ভাবে চলাফেরা করে আসছে।কয়েক বছর আগে কালভার্ট থেকে উত্তরমুখী রোডটি পাঁচ ভাইয়ের লোকেরা বন্ধ করে দেওয়াতে জনগন চরম দুর্ভোগে পড়ছে।

    সরোজমিনে দেখা যাচ্ছে কালভার্টের খালটি পৃর্ব পশ্চিম মুখী যাহা মগধরা ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ডে সীমানা খাল।উক্ত কালভার্ট থেকে চলাচলের রাস্তা উত্তরমুখী এন্গেল হয়ে পৃর্বে দিক হয়ে এঙ্গেল হয়ে সোঁজা উত্তরমুখী জলসার পাড়দিয়ে সংযুক্ত রাস্তাটি পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ী ওয়ালাদের তৈরী করা রাস্তার সাথে সংযুক্ত হয়।

    উক্ত পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর গংদের জায়গা উপর দিয়ে দক্ষিণ মুখী আগত রোডটির সংযোগ রোডটির সম্পর্কে  ৫/৬ নং দুই ওয়ার্ডের জনগণ অবগত আছে  মৌরশী কাগজ মূলে পেলিশ্যার গোপাট হয়ে বর্তমানে প্রচলিত রোড নামকরন মত চাঁন নন্দীর  রাস্তার শুরুতে মৌড়শী, মালিক পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর গংরা।উক্ত রোডের পাশে  মুন্সি আবদুল করিম গং ১৮৬৫৮ দাগের আরেকটি জায়গা থাকায় তার গং  মাষ্টার এস.এম. গোলাম মহিউদ্দীন ১৯৯৬ সালে একটি বাড়ী করে সীমানা করেন।তাঁহার সন্তানদীর ভবিষ্যৎ চিন্তা করে বাড়ীর সৌন্দর্যের কথা ভেবে খুরশিদ আলম গং মাষ্টার আজহারুল ইসলাম থেকে মাষ্টার এস এম গোলাম মহি উদ্দীন সেলিম  ১৫০ দলিল মূলে একটি রাস্তা খরিদ করে।খরিদ করা বাড়ীর রাস্তাটির  পৃর্বে তাঁর মৌরশী দাগ ১৮৬৫৩ দাগের দক্ষিনের শেষপ্রান্তের সম্পদ ব্যবহার করে আসছিলো।এক কথায় মাষ্টার সেলিম সাহেব তিনি বাড়ীর সৌন্দর্যের জন্য মাষ্টার আজহারুল থেকে রাস্তা ক্রয় করেছিলেন।যদিও পেলিশ্যার গোপাট হয়ে ইউটান দক্ষিণমুখী  প্রচলিত চাঁন নন্দীর  রোডের রাস্তার শুরুতে পশ্চিমে  পুরোটা মৌড়শী মালিক পেলিশ্যার বাড়ী গংদের।আরএস ১১৫২ দাগ মূলে বিএস ১৮৮৩১ দাগ মূলে খতিয়ান নং ২৮৫২ নং মৌড়শি মালিক আবদুল লতিফ গং মোহাম্মদ ওবাদুল হক,আবদুল হালিম,একে এম শাহাজাহান, আবদুল হান্নান।৮২২ নং খতিয়ানে বিএস ১৮৮৩০ মূলে  আবুল খায়ের,এবিএম শাহ আলম,আজিয়া খাতুন গং।মুন্সি আবদুল করিম গং এছাক মিয়া গং বিএস ১৮৮২৯,মোজাফফর  আহাম্মদ গং বিএস ১৮৬২৮,ইয়াছিন গং বিএস ১৮৮২৬, গোলাম কুদ্দুছ গং বিএস ১৮৮২৫।

    সাম্প্রতিক ০৩ অক্টোবর ২০২০ ইং  উক্ত রোডে মৌড়শী মালিক মাষ্টার এস এম গোলাম মহি উদ্দীন সেলিম তাঁর মৌড়শী মালিক জায়গা ১৮৬৫৮ দাগে ২৫ বছর আগের তৈরী বাড়ীতে বসত ঘর করতে ইট বালু প্রবেশ করাতে চাহিলে বালু ডুকানোর পর ইট ডুকাতে সরাসরি বাঁধাগ্রস্ত করেন তাঁর ছেলে রিয়াদ রহমান কে।
    বাঁধাদানকারী হলো ছানা উল্ল্যাহ পিতা মৃত শফিকুল আলম,জসিম পিতা মৃত জাহিদুর রহমান,সিরাজ উদ্দৌলা বেদন পিতা মৃত সুলতান আহাম্মদ,মোক্তার পিতা আজিজুল হক,আজিজুল হক পিতা মৃত আলী আহাম্মদ,আমির হোসেন পিতা মৃত সুলতান আহাম্মদ,মাহবুব আলম পিতা মৃত শামসুল হক।এরা বাঁধা দেন এবং উগ্র কন্ঠে  বিশ্রী ভাষা সিরাজ উদ্দৌলা বেদন হাঁট বাজারো প্রয়োগ করাই রিয়াদ রহমান ইট প্রবেশ করে নি।তিনি সকল ডকুমেন্ট তুলে চট্টগ্রাম জর্জ কোর্টে মামলা করবে বলে জানা যাই।কেন বাঁধা করেছে এই মর্মে জানার জন্য  সামাজিক বৈঠক করার জন্য মাষ্টার এস এম গোলাম মহিউদ্দীন সেলিম পাঁচ ভাইয়ের বাড়ির সকল ঘরে যাই। তারা বৈঠক বসবে বলে বলে অদ্যকাল পর্যন্ত কোন উত্তর দেই নি।রিয়াদ রহমান বিষয় টি মগধরা ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান এস এম আনোয়ার হোসেন, মগধরা ইউনিয়ন পরিষদে ৫ নং ওয়ার্ডে মেম্বার জাহিদ সারোয়ার শিমুল, কে অবগত করেন।তারা বলছে পাঁচ ভাইয়ের বাড়ির লোকেরা রাস্তায় বাঁধা দেওয়ার কোন এখতিয়ার নেই। তারা যখন সমঝোতা বসতে রাজী নহে এতে আইনী সহযোগিতা নিয়ে তোমার হাঁটার ব্যবস্থা করো।উক্ত রোডটি জনস্বার্থে উন্মুক্ত করতে আইনি সহযোগিতা নিতে হলে আমরা সহযোগিতা করবো।

    বিশেষ করে স্থানীয় মন্ত্রনালয় অধীনে ইউপি সদস্যরা যে সকল কার্যক্রম করবে ত্বরমধ্য নিন্মে যে বিষয়টি রহিয়াছে। যেমন বন্ধকৃত রোড পুনঃউদ্ধার,নতুন করে রোড চালু করন সহ রোডের আশে পাশে গাছ লাগানো। এবং রোড আলোক সজ্জা করা।যাহা আপনারা অবগত।এইসব পরিপ্রেক্ষিত হিসেবে প্রাচীন এই নন্দীর রোডটি চালু করা জনপ্রতিনীধিদের কর্তব্য। কারন এক সময়ে রোডটি  চালু থাকার কারনে মগধরা পেলিশ্যার বাজারের উন্নয়ন প্রসারিত ছিলো।

    পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর মন্জুরুল হক বলেন যদিও রোডটির শুরুতে আমরা মৌরশীমালিক পাঁচ ভাইয়ের বাড়ীর লোকবলরা কিভাবে কি করে   আরএস, ও খরিদ দলিল বিহীন ৬৪৬৩ নং খতিয়ানে ১৮৬৫৪ বিএস নাম প্রচার কিভাবে করলেন তা আমার মাথায় আসছে না।যাদের নামে খতিয়া প্রচার হয় তারা হলেন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ পিতা ইবনে আমিন,আজিজুল হক পিতা আলী আহাম্মদ,খুরশিদ মিয়া পিতা ইব্রাহিম, সুলতান আহাম্মদ, জাহিদুর রহিম,সওকত আলী পিতা ইয়াকুব আলী,শামছুল হক পিতা উমেদ আলী,ছফি উল্ল্যাহ পিতা রহম আলী,সামছুদ্দিন পিতা বশির উল্ল্যাহ,সাহে আলম,মোহাম্মদ হানিফ,আবুল কালাম পিতা আবদুল মালেক নামে প্রচার করে।যদিও সিএস, আরএস,মূলে মৌড়শী মালিক পেলিশ্যার বাড়ীর গংরা। পাঁচ ভাইয়ের বাড়ির লোকদের কাছে পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ির গংরা চলাচলের জন্য কোন রাস্তা বিক্রি করে নি কিভাবে তারা কোন আইনে বিএস রেকর্ড করেছে তা দন্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য এবং বিএস সংশোধনী মামলা আওতায় আসবে বলে পেলিশ্যার মসজিদ বাড়ীর গংরা বলেন।আরো বলেন বিএস সংশোধনী হওয়ার পর রোডটি জনস্বার্থে উন্মুক্ত করা হবে।

    যদিও তারা বিএস রেকর্ড করেছে তাদের রেকর্ডে মন্তব্য কলামে স্পষ্ট ভাষায় লেখা আছে নিকটস্থ দাগের সকল দাগের মালিক রোডটি ব্যবহার করতে পারবে।কিন্তু তারা রাস্তার আশে পাশে লোকদের কে রাস্তা চলাচলের বাঁধা সৃষ্টি সহ হুমকি দমকি দিয়ে যাচ্ছে।
    পাঁচ ভাইয়ের বাড়ীর কিছু লোকরা কালভার্ট থেকে উত্তরমুখী রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়ার ফলে জনবিচ্ছিন্ন পথে পরিনত করেছে।বন্ধ করার পরেও জনগণের তাগিদে জননিরাপত্তা হীনভাবে জনগণ বাঁধা অতিক্রম করে আদ্যকাল পর্যন্ত রোডটিতে চলাচল করে আসছে।
    তবে জনগণের দাবী বাঁধাহীন চলাচলের সুযোগ হলে দুই ওয়ার্ডের জনগনের জন্য  সুযোগ হবে।জনগণের দাবী সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  ও এসিল্যান্ড সরেজমিনে এসে রোডটি দেখে কাগজ দেখে দ্রুত রোডটি চলাচলের পথ উন্মুক্ত করলে জনগণ উপকার ভোগ করবে।

    জনগন জানতে চাই আরএস মূলে মালিক গনরা জায়গাটি বিক্রি করে নি কিভাবে পাঁচ ভাইয়ের বাড়ির লোকেরা বিএস করলো?যদিও করেছে রোড তো চলাচলের জন্য। কেনও তারা চলাচল পথে বাঁধা  করছে?তাদের  বিএস  জরিপ করা মন্তব্য কলামে তো সু স্পষ্ঠভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে,[রাস্তা ]চলাচল সহ নিকটস্থ  দাগের দখলদার’রা [রাস্তা] ব্যবহার্য।বাংলাদেশ ভূমি আইনে যে কোন রোডের আশে পাশে রাস্তা বসত বাড়ি জনস্বার্থে ব্যবহার্য।কি করে রাস্তাটি বন্ধ করলো এবং আশেপাশে বাড়িওয়ালা ও নতুন করে বাড়ী করতে বাঁধাগ্রস্ত করছে তা কোন আইনে রহিয়াছে?চলাচলের পথে বাঁধা দেওয়া মানে সন্ত্রাসী করা তাই তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হউক।

    সন্দ্বীপ উপজেলা  এমপি মহোদয় ও মগধরা ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান কাছে জনগণের দাবী মগধরা স্কুল এন্ড কলেজে ছাত্রছাত্রী সহ এলাকাবাসীর সু যাতায়াতের প্রয়োজনে মগধরা ৫ নং ওয়ার্ড থেকে ৬ নং ওয়ার্ডস্থ বন্ধকৃত চাঁন নন্দীর রোড টি পুনরায়  চালুকরন করা সহ পাকাকরন করা অতি জরুরী বলে মনে করেন এলাকাবাসী।জনপ্রতিনীধী হিসেবে নিশ্চয় এসব বিষয়ে  আপনাদের যথেষ্ট করনীয় রহিয়াছে।তাই জনগন মনে করেন দ্রুত সময়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। রোডটি জনগুরুত্বপূর্ণ বলে দ্রুত চালু হবে  মনে করেন এলাকাবাসী।